সৎ ছেলে নয়, শাহিদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আধ্যাত্মিক: সুপ্রিয়া

বলিউড অভিনেতা শাহিদ কাপুরের বয়স যখন তিন বছর তখন ভেঙে যায় বাবা পঙ্কজ কাপুর ও মা নীলিমা আজীমর সংসার। সেটা ১৯৮৪ সালের কথা। এরপর ১৯৮৮ সালে অভিনেত্রী সুপ্রিয়া পাঠককে বিয়ে করেন পঙ্কজ। মা নীলিমার সঙ্গে থাকলেও শাহিদের জীবনের অনেকটা সময় কেটেছে সুপ্রিয়া পাঠকের সঙ্গে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সুপ্রিয়া পাঠক জানান, শাহিদের সঙ্গে তার বোঝাপড়া দারুণ। এর মূল কারণ হল তাদের আধ্যাত্মিক সম্পর্ক, যা কখনো তাদের আলাদা করতে পরেনি। এমনকি মাঝে মাঝে তারা একসঙ্গে পঙ্কজ কাপুরেরও সমালোচনা করেন।

মজার ছলে সুপ্রিয়া বলেন, ‘আমরা জীবন নিয়ে কথা বলি, দর্শন নিয়ে আলোচনা করি। আর পঙ্কজ যখন ঢুকে পড়ে তখন আমরা ওকে নিয়েই হাসি-ঠাট্টা করি। আমি খুব সমালোচনা করি না, শুধু শুনি!’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে যে আধ্যাত্মিক সংযোগ আছে সেটাই আমাদের এতো বছর একসঙ্গে রেখেছে। আমরা একে অপরের জীবন-দর্শন ও বিশ্বাসসহ সবকিছু ভাগ করে নিই। আমি প্রার্থনা করি যেন আমাদের সম্পর্ক এমনই থেকে যায়।’

একই সাক্ষাৎকারে পঙ্কজ কাপুর বলেন, ‘অভিনয়ের ক্ষেত্রে সঠিক প্রশিক্ষণ জরুরি। শাহিদ সে বিষয়ে বরাবরই যত্নশীল। ও ছোটবেলা থেকেই নাচ শেখার মাধ্যমে শৃঙ্খলা রপ্ত করেছে। আজও সেই শৃঙ্খলা ওর মধ্যে আছে। সে কারণেই শাহিদ আজ ভারতীর মেধাবী অভিনেতাদের একজন।’

শাহিদ মীরা রাজপুতকে বিয়ের করার পর তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলেও জানান সুপ্রিয়া। তার কথায়, ‘মীরা রাজপুত পরিবারের মধ্যে অসাধারণ বন্ধনের সৃষ্টি করেছেন। মীরার জন্যই আজ আমাদের পরিবার এত ঘনিষ্ঠ।’

এর আগেও বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুপ্রিয়া বলেন, ‘আমি শাহিদকে প্রথম দেখি যখন সে মাত্র ছয় বছরের। আজও মনে হয়, ও আমারই ছেলে। রুহান, শাহিদ, সানাহ- ওরা তিনজনই আমার সন্তান। আমি ওদের সঙ্গে হাসতে পারি, ভালোবাসতে পারি, এমনকি রাগও করতে পারি-যেমন প্রতিটা মা করে।’ সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।