গর্ভকালীন স্বাস্থ্যযত্ন
হবু মায়ের জন্য কীভাবে নিরাপদ খাবার প্রস্তুত করা যায়?

গর্ভবতী মায়েদের নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

  • খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেয়া।
  • ব্যবহারের পর খাবারের সব পাত্র ভালো করে ধুয়ে নেয়া
    মাংস ভালো করে রান্না করা
  • খাওয়ার আগে শাকসবজি, সালাদে ব্যবহৃত পাতা ও ফল সাবধানে ধুয়ে নেয়া
  • উপযুক্ত তাপমাত্রায় খাবার সংরক্ষণ করা

    গর্ভাবস্থায় কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত?

গর্ভবতী মায়েদের নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর তা গর্ভধারণসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি করতে পারে। গর্ভধারণকালে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে:

  • কাঁচা, পাস্তুরায়ন ছাড়া দুধ এবং ওই ধরনের দুধ থেকে তৈরি কোমল পনির। এগুলোয় লিসটেরিয়া নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা লিসটেরিওসিস নামের এক ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
    মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার। কারণ সেগুলোয় ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
  • কাঁচা ও পুরোপুরি রান্না না হওয়া মাংসজাত পণ্য যেমন সসেজ ও কোল্ড কাট।
  • কাঁচা মাছ ও সি ফুড। কারণ এগুলোয় উচ্চমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী থাকতে পারে।
  • কিছু মাছে উচ্চমাত্রায় পারদ (মার্কারি) থাকে এবং এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। বেশির ভাগ শিকারি মাছ যেমন হাঙর, সোর্ড ফিশ, মার্লিন ও কিং ম্যাককেরেলে মার্কারি বেশি থাকে; স্মোকড কিন্তু রান্না না করা মাছ যেমন, স্মোকড স্যামন।
  • রান্না না করা অঙ্কুরিত বীজ, খাদ্যশস্য ও শিম। কাঁচা মুলা, শিম ও আলফালফার বীজ এবং রেডি-টু-ইট সালাদ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এগুলোয় লিসটেরিয়া, সালমোনেলা ও ই. কোলির মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
  • কাঁচা বা কম সেদ্ধ ডিম। এতে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
  • যকৃৎ (লিভার) ও অন্যান্য অঙ্গের মাংস। যকৃতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকলেও এটা গর্ভধারিণী নারীদের খেতে বলা হয় না। কারণ এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ থাকে এবং এ মাংসে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।